ঢাবিতে ফজলুল হক স্মরণে নতুন ট্রাস্ট ফান্ড

ঢাবিতে ফজলুল হক স্মরণে নতুন ট্রাস্ট ফান্ড

সংগৃহীত

ফজলুল হকের স্মৃতি রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগে নতুন একটি ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। এর আয় থেকে প্রতিবছর কয়েকজন শিক্ষার্থীকে চলচ্চিত্র নির্মাণে এককালীন বৃত্তি দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন ফরিদুর রেজা সাগর।

প্রয়াত পিতা চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও সাংবাদিক ফজলুল হকের স্মৃতি রক্ষার্থে এ ট্রাস্ট ফান্ড গঠনে অনুদান দিয়েছেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইয়্যিদ শাহজাদা আল কারীম, ফরিদুর রেজা সাগরের সহোদর ও চ্যানেল আইয়ের নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ মাসুদ, রন্ধন বিশেষজ্ঞ কেকা ফেরদৌসী, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র গবেষক ও সাংবাদিক রেজানুর রহমান, মীর মাসরুর জামান ও আবদুল্লাহ জেয়াদসহ বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাস্ট ফান্ডের আয় থেকে প্রতিবছর টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে গ্র্যাজুয়েট প্রোডাকশন নির্মাণের জন্য এককালীন বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চলচ্চিত্র নির্মাণের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীল কাজের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের জন্য দাতা পরিবারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে এই ট্রাস্ট ফান্ড সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”

উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্ক আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি চ্যানেল আই কর্তৃপক্ষের প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থীদের টেলিভিশন চ্যানেলে ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, প্রয়াত ফজলুল হক ছিলেন একজন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও খ্যাতিমান সাংবাদিক। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে কথিকা লিখতেন। ১৯৯০ সালে ৬০ বছর বয়সে তিনি মারা যান। ফজলুল হক ও রাবেয়া খাতুন দম্পতির চার সন্তানই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন।