জবিতে শিক্ষক নিয়োগে ছাত্র অধিকার পরিষদের স্মারকলিপি

২৪ জানুয়ারী, ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে শিক্ষক নিয়োগ দিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ছাত্র অধিকার পরিষদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রায়হান হাসান রাব্বি ও দপ্তর সম্পাদক কাজী আহাদ স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষক নিয়োগ হলে অর্থনৈতিক সাশ্রয়, নিজস্ব মেধা ও অভিজ্ঞতার উন্মেষ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা, গবেষণা ও উন্নয়ন হওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তাদের মধ্য থেকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানের উন্নতি হবে। নিজস্ব শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিলে আর্থিক দিক থেকে সাশ্রয় হবে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি ও প্রয়োজন সম্পর্কে বেশি অবগত। তারা দায়িত্বশীলতার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণামূলক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।  

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, জগন্নাথ বিশ্বিবিদ্যালয়ের ১৯ বছর চলছে; এতদিনেও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় না। অথচ এই শিক্ষার্থীরাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় কৃতিত্বের সাথে অবদান রাখছে। এখানে যারা নিয়োগ হয় তারা জগন্নাথকে ধারণ করতে পারে না এবং শিক্ষার্থীদের সীমাবদ্ধতাগুলো বুঝতে তাদের কষ্ট হয়।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রায়হান হাসান রাব্বি বলেন, প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পার হলেও অল্প সংখ্যক ছাড়া, জবি থেকে শিক্ষক নিয়োগের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমাদের শিক্ষার্থীরা কি মেধাবী নয়? এত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে যোগ্যতা অর্জন করা মেধাবীদের যদি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়ন না করে, এটা অনেক হতাশার সৃষ্টি করে। এটা এক ধরনের বৈষম্যও বটে, তাই আমরা চাই আগামী শিক্ষক নিয়োগগুলোতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের যেন মূল্যায়ন করা হয়।

স্মারকলিপিতে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উপাচার্যের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়।