০২ মার্চ, ২০২৫
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগর শাখার মুখপাত্র নাহিদ হাসান খন্দকারের এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই অভিযোগে তাকে শোকজ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগর।
শনিবার(১ মার্চ) রাত ১০টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রংপুর মহানগরের মুখ্য সংগঠক আলী মিলন স্বাক্ষরিত এক পত্র মারফতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে চাঁদা দাবির ২ মিনিট ৪১ সেকেন্ডের এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিরূপ মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।
তবে ভিডিওতে নাহিদ হাসান খন্দকারকে দেখা গেলেও অপরপাশে থাকা ব্যক্তিকে দেখা যায়নি। ভিডিওটি কবে এবং কোথায় ধারণ করা হয়েছে সে বিষয়েও কিছু জানা যায়নি।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পুকুর খনন করে বালু উত্তোলন ও পার্ক নির্মাণের বিষয়ে নাহিদ হাসান খন্দকারের সঙ্গে কথা হচ্ছিল অপরপাশে থাকা এক ব্যক্তির। সেখানে অপরপাশে থাকা ব্যক্তিটি নাহিদ হাসানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তুমি যদি বলো সেখানে বালুর ব্যবসা হচ্ছে, তাহলে সেটা বন্ধ করে দেই। এক লাখ টাকা দিতে পারব না, পাঁচ হাজার টাকা দিচ্ছি।
এসময় নাহিদ হাসান খন্দকার বলেন, ব্যবসা আপনি বন্ধ করবেন কেন, ব্যবসা আপনিই চালান। ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। প্রয়োজনে সময় নেন, ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন।
এসময় নাহিদ হাসান আরও বলেন, আপনি তো দেখছেন বিষয়টি কোথায় গেছে। ইউএনও-ডিসিকে সামলাতে হচ্ছে। যদি মনে হয় কিছু কমাবেন তাহলে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। আমি চাই না আপনাদের কোনো সমস্যা হোক। জানেন তো সংগঠন চালাতে হলে কী কী করতে হয়।
এ বিষয়ে নাহিদ হাসান খন্দকার এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, হাজিরহাট এলাকার ওদিকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে আমরা চারজন সেখানে যাই। অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের কথা বললে তারা কিছু দিতে চেয়েছিল, কিন্তু রাজি হয়নি। এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়নি। আমাদের ফাঁসানোর জন্য তারা এই কাজটি করেছে।
এসময় তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, কেউ টাকা নেয়ার বিষয়টি প্রমাণ করতে পারবে না। কেননা আমি এমন কোনো বিষয়ের সঙ্গে জড়িত নই।
এ ব্যাপারে গ্রিন সিটি ইকো পার্কের প্রকল্প ম্যানেজার বেলাল হোসেন বলেন, আমার পার্কে পুকুর তৈরিতে খনন কাজ চলছিল। অবৈধ বালু উত্তোলন করছি এমন অভিযোগ করে নাহিদ হাসান আমার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দাবি বিষয়ে কল রেকর্ডও আছে। আমি সময়মতো প্রকাশ করব।
বলিভিয়ায় প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা বেশ সাধারণ বিষয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে পোটোসি এবং ওরুরো শহরের মধ্যে একটি বাস প্রায় ৮০০ মিটার (২৬২৫ ফুট) খাদে পড়ে গেলে ৩০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়।
তার আগে গত জানুয়ারিতে পোটোসির কাছেও একই অঞ্চলে আরেকটি বাস রাস্তা থেকে পড়ে গেলে ১৯ জন নিহত হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২ মিলিয়ন বাসিন্দার এই দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ১৪০০ জন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায়।