২৬ এপ্রিল, ২০২৫
ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী ও পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত গণমাধ্যমকর্মী ময়ূখ রঞ্জন ঘোষের পাল্টাপাল্টি পোস্ট নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। ঘটনার শুরু শুক্রবার (২৫ এপ্রিল)। ওইদিন সকালে ঋত্বিক তার ফেসবুকে লেখেন, ধরুন একটা গাধার নাম দিলেন ময়ূর আর তাকে কালারফুল করতে পাশে বসালেন রঞ্জন, তাহলে পুরোটা হল ‘ময়ূর রঞ্জন’।
পোস্টটি শেয়ার করার পর অভিনেতার উদ্দেশে পাল্টা পোস্ট দেন ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। নেটিজেনদের ধারণা টালিউড অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তীর ফেসবুক পোস্টেরই পাল্টা জবাব দিয়েছেন ময়ূখ।
তবে স্ট্যাটাসে ঋত্বিক সরাসরি ময়ূখের নাম না বললেও সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করেই এমন পোস্ট অভিনেতার, এমন মন্তব্য করেন নেটিজেনরা। স্ট্যাটাস দ্রুত ভাইরাল হলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খবরও প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নজরে পড়তেই ফেসবুকে ঋত্বিককে উদ্দেশ করে পাল্টা জবাব দেন ময়ূখ। তবে তার স্ট্যাটাসেও তিনি কোথাও অভিনেতার নাম উল্লেখ করেননি।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টায় ময়ূখ তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লেখেন, ভেবেছিলাম শুধু বাংলাদেশের অনেক চ্যানেল, ইউটিউবারকে খেয়ে পরিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছি। আমাকে নিয়ে কনটেন্ট বানিয়ে তারা সবাই দুবেলা খাচ্ছে, গাড়ি বাড়ি করছে। আজ দেখি ঘরে বসে যাওয়া এক অভিনেতার ফ্লপ ক্যারিয়ারকেও পুনর্জীবিত করলাম। নিজের সিনেমার প্রমোশন ভিডিও, কনটেন্ট বা ইন্টারভিউ পোস্ট করলেও এত লাইক কমেন্ট পায় না যতটা আজ পেয়েছে।
এরপরই ময়ূখ লেখেন, শুনছি আর চাকরি চুরির টাকায় বানানো সিনেমায় অভিনয় করতে হবে না। আমাকে নিয়ে লিখে টু পাইস লাভ যদি কারোর হয়, আমি তার পাশে দাঁড়াতে রাজি আছি। বড় ভালো লাগল। তার ক্যারিয়ার ঘুরে দাঁড়াক।
সবশেষে এ গণমাধ্যমকর্মী লেখেন, বাকিদের ওই সোনার কেল্লার ট্রেন সিকুয়েন্সের মতো বলবো, লালমোহন বাবু হিন্দিতে নিজের ব্যাপারে বলছেন, ফেলুদা মাখন টোস্টে কামড় দিয়ে বলছেন, আপনারা চালিয়ে যেতে পারেন। দিব্যি লাগছে। গরমকাল। আমার কথায় প্লিস রেগে যাবেন না সেকু মাকু সোনা আমার। আরও বেশি কিছু সময় একটু চিড়বিড় চিড়বিড় করবে। আয়া মৌসুম ঠান্ডে ঠান্ডে ডার্মিকুল কা! লাগিয়ে নেবেন।
প্রসঙ্গত, বড় পর্দা থেকে শুরু করে ওটিটি সব মাধ্যমেই কাজ করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। অন্যদিকে ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল রিপাবলিক বাংলার সিনিয়র এডিটর ও হেড অব ইনপুট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ।