ময়মনসিংহের ছায়াবাণী সিনেমা হল ভাঙচুর ‘তাণ্ডব’ চলাকালে কারিগরি ত্রুটি,

০৮ জুন, ২০২৫

খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলে আবার প্রদর্শনী চালু হয়।

ঈদের দিন শনিবার (৭ জুন) বিকেলে এই হামলার পর নগরীর সি কে ঘোষ রোড এলাকার সিনেমা হলটিতে একটি প্রদর্শনী বন্ধ থাকে।

শিক্ষা সংস্কৃতির নগরী ময়মনসিংহে “অজন্তা”, “ছায়াবাণী”, “অলকা”, “পূরবী” ও “সেনা অডিটোরিয়াম” এই পাঁচটি সিনেমা হল ছিল। মানহীন সিনেমা, দর্শক খরা ও ২০০২ সালে সিনেমা হলে বোমা হামলা হলে একে একে বন্ধ হয় “অজন্তা”, “অলকা” ও “সেনা অডিটোরিয়াম”। সবশেষ ৫-৬ মাস ধরে পূরবী সিনেমা হল ভাঙা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র ও কয়েকজন দর্শক জানান, ঈদের দিন সকাল থেকেই “তাণ্ডব” সিনেমা দেখতে হলটিতে দর্শকদের ভিড় দেখা যায়। আসনসংখ্যার তুলনায় দর্শক বেশি হওয়ায় প্রদর্শনী চালাতে হিমশিম খেতে হয় হল কর্তৃপক্ষকে। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া প্রদর্শনীর শেষ সময় বিকেল সোয়া ৫টার দিকে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এ সময় সিনেমা বন্ধ হয়ে গেলে দর্শকেরা উত্তেজিত হয়ে বেশ কয়েকটি চেয়ার, টিকিট কাউন্টারের দরজা-জানালা ভাঙচুর করেন।

এতে বেশ কয়েকটি আসন, চেয়ার, পোস্টার, টিকিট কাউন্টারের দরজা জানালা ভাঙা হয়। পরে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত শো বন্ধ থাকে।

 

কারিগরি ত্রুটির কারণে ভাঙচুরের পাশাপাশি হলে লুটপাট করা হয় বলে জানিয়েছেন সিনেমা হলের ক্যাশিয়ার আল-আমীন শেখ। ভাঙচুরের পর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুনরায় শো চালু হয়।

 

ময়মনসিংহ নগরের তিন নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আবুল হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর আবার সিনেমা হলে প্রদর্শনী শুরু হয়।”

 

ছায়াবাণী হলের ক্যাশিয়ার আল-আমীন শেখ বলেন, “দর্শকরা এমন করবেন, তা আমাদের কল্পনারও বাইরে। সমস্যা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সমাধানও হয়েছে। কিন্তু দোতলা থেকে দর্শকরা যেভাবে একের পর এক আসন নিচে ছুড়ে মেরেছেন, এতে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারত। তারা চেয়ার, ক্যাশ কাউন্টার ভাঙচুর করে টাকাও লুট করেছেন। এমন হলে হল চালানো যাবে না।”