০৮ অক্টোবর, ২০২৫
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শহীদ আবরার ফাহাদ স্মরণে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত ‘মত প্রকাশ থেকে মৃত্যু : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্যাসিবাদের বিস্তার ও প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আবরার হত্যার ঘটনায় স্মৃতিচারণা করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমার নির্বাসিত জীবনে এই একটি ঘটনায় এত বেশি ব্যথিত হয়েছিলাম। সেদিন আমি চিন্তা করলাম, বাংলাদেশের মেধাবী ছাত্ররা যারা বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষে কথা বলে, তাদের সংখ্যা তো নেহায়েত কম নয়।
তিনি বলেন, ‘আমি লক্ষ্য করেছিলাম, বাংলাদেশের তরুণ সমাজের ভেতরে দেশপ্রেম ও প্রতিরোধের আগুন জ্বলছে। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশের পক্ষে কথা বলছে, তারা নতুন প্রজন্মের প্রতীক। তাদের জীবন কেড়ে নিলে এক আবরারের রক্ত থেকে লক্ষ্য আবরার জন্ম নেবে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আজ যে আবরার ফাহাদের প্রসঙ্গ, সেটাকে তাত্ত্বিক এবং ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের দাবি রাখি।
এটা শুধু একটা আঞ্চলিক আধিপত্যবাদ বলেই এক শব্দে সবকিছু বিশ্লেষণ করা যাবে না। যেটাকে আগ্রাসন অথবা আধিপত্যবাদ বললেও বিশ্লেষণ করা যাবে না। ঐতিহাসিকভাবে একে বিশ্লেষণ করতে হবে।’
আবরার ফাহাদকে ‘আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠ’ হিসেবে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘আবরার শহীদ হয়েছে, কারণ সে ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিল।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বললে হয়তো জেলে যেতে হতো, কিন্তু ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বললে জীবন দিতে হয়—এটাই আবরার হত্যার শিক্ষা।’