১৭ নভেম্বর, ২০২৫
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইএমআরএডি) এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল সিকিউরিটি কলেজের যৌথ আয়োজনে ‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস ইন দ্য ইন্ডিয়ান ওশ্যান’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এ অনুষ্ঠান হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ও বিআইএমআরএডির প্রধান পৃষ্ঠপোষক এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এ সময় বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক, সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কলেজ, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (এএনইউ) এবং বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য আঞ্চলিক অংশীদার দেশেসমূহের কর্মকর্তা, নীতিবিশেষজ্ঞ, গবেষক, কূটনৈতিক ও সামুদ্রিক পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস (এমডিএ) জাতীয় সামুদ্রিক স্বার্থ সুরক্ষা, তথ্য সমন্বয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সামুদ্রিক শাসনকে সুসংহত করার জন্য একটি কৌশলগত অপরিহার্যতা। উদ্বোধনী বক্তৃতায় বক্তারা ‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস (এমডিএ)’ সচেতনতা শক্তিশালীকরণকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, তথ্য বিনিময়, সমন্বিত সাগর শাসন এবং সমুদ্র অর্থনীতি বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন।
বিশেষ করে রিয়েল-টাইম সামুদ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন, আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, অবৈধ মৎস্য আহরণ, চোরাচালান, পাচার ও জলদস্যুতাসহ বিভিন্ন সমুদ্রভিত্তিক হুমকি মোকাবিলায় উন্নত এমডিএ সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, শ্রীলংকা, সিঙ্গাপুর এবং পশ্চিম ভারত মহাসাগর অঞ্চলের বিশেষজ্ঞরা তথ্য ভাগাভাগি, ইনফরমেশন ফিউশন, পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি, বিশ্লেষণী পদ্ধতি এবং দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে বিশেষ সেশন পরিচালনা করবেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলো সামুদ্রিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্ঞানভিত্তিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সমন্বয় আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বর্ণিত কর্মশালার মাধ্যমে সামুদ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা অর্জন, অপারেশনাল প্রস্তুতি বৃদ্ধি, সংকট ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সম্পদ সুরক্ষা এবং সামুদ্রিক প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী করার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে। -বিজ্ঞপ্তি