১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত ছিল, তারা স্বাধীনতার পর সাধারণ ক্ষমা পেয়েছিল। তবে সেই সাধারণ ক্ষমার সম্মান তারা রক্ষা করেনি; বরং সেটিকে অবমূল্যায়ন করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবস উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের ঝুমুর এলাকায় অবস্থিত বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জনতার উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যেসব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায় স্বাধীনতাবিরোধীরা পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছিল, তারা কখনো আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সঙ্গে, আবার কখনো আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলনে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী এ্যানি আরও বলেন, কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, যদি তিনি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব না দিতেন এবং রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ না করতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আজও প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যেতে পারত।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেছিলেন। তার শাহাদাতের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেতৃত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন এবং পরপর তিনবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। শহীদ জিয়া ছিলেন জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি এবং বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, সদর উপজেলা (পূর্ব) বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।