৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
গোপালগঞ্জে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। প্রচণ্ড কুয়াশা ও হাঁড়কাপানো শীতে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও আগামী দুই দিন জেলায় শীতের তীব্রতা প্রায় একই রকম থাকবে। সারাদিন গোপালগঞ্জে ঝিরঝিরে ঠান্ডা বাতাস ও বৃষ্টির মতো ক্ষুদ্র কণা শীতের অনুভূতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। গত দুই-তিন দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। দৃশ্যমানতা কমে প্রায় ২০০ মিটারে নেমে এসেছে। এদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। রাস্তাঘাটে লোকজনের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। কর্মজীবী মানুষজন প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হননি।
রাস্তায় রিকশা ও ভ্যানের সংখ্যাও কম ছিল। যাত্রী না পেয়ে অনেক চালককে অপেক্ষায় বসে থাকতে দেখা গেছে। চলাচলকারী যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলেছে। একই সঙ্গে হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে বোরো মৌসুম চললেও তীব্র শীতের কারণে কৃষকরা ক্ষেতে কাজে নামতে পারছেন না। এ অবস্থা আরও কয়েক দিন চললে বোরো ধান রোপণ ব্যাহত হতে পারে এবং চারার ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।
গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান বলেন, আগামী দুই দিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও শীতের প্রকোপ কমার সম্ভাবনা নেই। চলতি শীত মৌসুমে বুধবার সারা দেশের মধ্যে গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।