কক্সবাজারে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. মান্নান আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন। 

ঘোষিত ফলাফলে জেলার চারটি আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি আসনেই বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বদ্বিতা ছিল। এই দুইদলের ৮ প্রার্থী ছাড়া ১০ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। আলোচিত ইসলামী আন্দোলনের ৪ প্রার্থীও হারিয়েছেন জামানত। 

কক্সবাজার–১ (চকরিয়া-পেকুয়া) : চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১৭৮টি কেন্দ্রে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮ ভোট। ৯২ হাজার ২৯১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন সালাহউদ্দিন আহমদ। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৭.০৬ শতাংশ।
কক্সবাজার–২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া): মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১২৫টি কেন্দ্রে বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। জামায়াতের ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট। ২৫ হাজার ৭২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন আলমগীর ফরিদ। ভোটের হার ছিল ৬০ শতাংশ।

কক্সবাজার–৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও): সদর, রামু ও ঈদগাঁও উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১৮৩টি কেন্দ্রে বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট। ২০ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন লুৎফুর রহমান কাজল। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৫.৩১ শতাংশ।
কক্সবাজার–৪ (উখিয়া-টেকনাফ) : উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন। পোস্টাল ব্যালটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে বিএনপির জেলা সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট। জামায়াতের নুর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট। মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন শাহাজাহান চৌধুরী। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।