২২ মে, ২০২১
দুই বিজেপি সমর্থককে শাস্তি দিতে গিয়ে নিজের হাতে আইন তুলে নিয়ে বিতর্কে জড়ালেন ভারতের বর্ধমানের এক তৃণমূল নেতা। ভিডিও ভাইরাল হতেই তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর জেলার রাজনীতিতে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার দাবি, ওই দুই যুবক স্থানীয় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুরে অভিযুক্ত। তাই তাঁদের সামান্য ‘শাস্তি’ দেওয়া হয়েছে। জেলা বিজেপির আহ্বায়কের পালটা অভিযোগ, উনি যা করেছেন, তা অপমানজনক। প্রশাসন এর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
ঘটনা দিন কয়েক আগের। বর্ধমানের গুডসশেড রোডে ২ বিজেপি সমর্থককে কান ধরে ওঠবোস করানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা অশোক মণ্ডলের বিরুদ্ধে। তাঁদের ওই ওঠবোসের ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় বিতর্ক উসকে উঠেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, অশোক মণ্ডল তাঁদের উদ্দেশে রীতিমত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন, মন দিয়ে তৃণমূল দলটা করতে হবে। এরপর ওই দুই যুবক কাকুতিমিনতি করায় তাঁদের কয়েকবার ওঠবোস করানোর পর ছেড়ে দেওয়া হয়। সবটাই হয়েছে প্রকাশ্যে।
এ নিয়ে বর্ধমানের বিজেপির আহ্বায়ক কল্লোল নন্দনের দাবি, ”এই ২ জন সক্রিয় বিজেপি কর্মী না হলেও, আমাদের সমর্থক। যেভাবে ওঁদের প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবোস করিয়ে তৃণমূল করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে, তা অপমানজনক। এর যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত। প্রশাসনকে বলব, ব্যবস্থা নিন।” পালটা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা অশোক মণ্ডলের দাবি, ওই দুই যুবক এলাকায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বিষয়টির মীমাংসা করতেই তাঁদের ডেকে পাঠিয়েছিলেন। সামান্য ‘শাস্তি’ দিয়েছেন। তবে যেভাবে তিনি আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন, তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক তৈরি হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। -সংবাদ প্রতিদিন