১৯ মার্চ, ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পদ্মা সেতু এলাকায় এখন ঘরমুখো মানুষের চাপ। সার্বিকভাবে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে থেমে থেমে মোটরসাইকেলের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ৬ স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যা পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে (১৭ মার্চ রাত ১২টা থেকে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত) পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ৩৮ হাজার ৫১৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা।
এদিকে আজ (১৮ মার্চ) দুপুর ১টা পর্যন্ত ১৩ ঘণ্টায় আরও ২০ হাজার ৭৫১টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৩২ লাখ ৬১ হাজার ১৫০ টাকা। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি থাকায় থেমে থেমে চাপ তৈরি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, টোল প্লাজায় মোটরসাইকেলের জন্য পৃথক তিনটি লেন চালু থাকলেও একসঙ্গে বেশিসংখ্যক মোটরসাইকেল এসে পৌঁছালে সাময়িক ধীরগতি তৈরি হচ্ছে। পরে আবার স্বাভাবিক হচ্ছে। অন্যদিকে বড় যানবাহনের জন্য সাতটি লেন চালু থাকায় সেগুলোর চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেতু এলাকা, টোল প্লাজা, সংযোগ সড়ক ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নজরদারির মাধ্যমে পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তবে পদ্মা সেতু উত্তর থানা এলাকায় পরিবহন সংকটের কারণে কিছু যাত্রীকে ভোগান্তিতে পড়তে দেখা গেছে। অনেকেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর বিকল্প হিসেবে ট্রাকে করে গন্তব্যে রওনা দিচ্ছেন।
পদ্মা উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মো. আক্তার হোসেন জানান, সেতু এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে। মোটরসাইকেলের চাপ বাড়লেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত আছে।