২৪ মার্চ, ২০২৬
যশোরের মণিরামপুরে খোকন (৩২) নামে মৃত্যুদন্ড ও আব্দুল সালাম (৩৫) নামে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে আটক করেছে র্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা ও নেহালপুর ক্যাম্প পুলিশ। রোববার উপজেলার বাজুয়াটোলা গ্রামে র্যাব অভিযান চালিয়ে খোকনকে আটক করা হয়। আটক খোকন ঢাকার দোহার থানার উত্তর মৌরা এলাকার ইসলাম মাদবরের ছেলে। আর সোমবার রাতে উপজেলার দত্তকোনা গ্রামে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আব্দুল সালামকে আটক করা হয়। আটক সালাম উপজেলার দত্তকোনা গ্রামের আবুল বাসারের (ভাসান) ছেলে।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এটিএম ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, ২০০৮ সালে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খোকন তার চাচা মান্নান মাদবরের ছেলে শিশু নূর মোহাম্মদকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় দোহার থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার পর থেকেই খোকন পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকার একটি আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদন্ড দেন। দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, খোকন মণিরামপুর উপজেলার বাজুয়াটোলা গ্রামে তার ফুফাতো শ্যালক নাজমুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার র্যাব অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে মণিরামপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
অপরদিকে, নেহালপুর পুলিশ ফাঁড়ির টু আইসি শাহাজান বিশ^াস ও মামলার বাদী আসাদুজ্জামান জানান, ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে আব্দুল সালাম একটি ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে পাঁচ লাখ টাকা ধার নেয়। এ ঘটনায় ২০১৪ সালে যশোর আদালতে একটি চেক ডিজাইনার মামলা দায়ের করা হয়। যার মাললা নং-সিআর ৩৭৩/১৪। পরবর্তীতে আদালত সালামকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ মাসের সাজা ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদন্ড দেন। দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নেহালপুর পুলিশ ফাঁড়ি জানতে পারে, আব্দুস সালাম ঈদে তার বাড়ি এলাকায় অবস্থান করছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে ফাঁড়ির এএসআই শাহাজান বিশ^াস অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে মণিরামপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। মণিরামপুর থানার ওসি রজিউল্লাহ খান জানান, আটক আসামীদের মঙ্গলবার আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।