২৯ মার্চ, ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগম (৩০) নামের এক নারীর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা ওই নারীর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান। এদিন ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ।
এর আগে শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমালাগছি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ ।
পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে, স্বামী স্ত্রী’র ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান।
পরে রবিবার ভোরে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়া রুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।
ওসি আরও বলেন, হারুন মিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে।
তিনি কোনও কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
এ ঘটনায় শনিবার রাতেই নিহতের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে হারুনকে প্রধান আসামী করে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেন। মামলায় হারুনসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে এতে অজ্ঞাত আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামী করা হয়। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।