১৭ এপ্রিল, ২০২৬
লেবাননে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তবে শেষ এক ঘণ্টায় সেখানে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পরিবর্তে উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
শুধু তাই নয়, যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম ও দিব্বিন শহরে ইসরাইলি গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ঠিক আগে ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। স্থানীয় সময় অনুযায়ী ওই এক ঘণ্টায় ডজনখানেক হামলার ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ জানায়, তারা ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে। সংগঠনটি দাবি করে, তারা লেবাননের ভেতরে এবং সীমান্তের ওপারে ইসরাইলি অবস্থান এবং সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও তা কতটা টেকসই হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা হিজবুল্লাহর ৩৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির আগে এবং পরে বেইরুতজুড়ে আতশবাজি ও গুলিবর্ষণের শব্দ শোনা যায়। শহরের উপকূলীয় এলাকায় বহু বাস্তুচ্যুত মানুষ এখনো রাস্তায় রাত কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা এখন নিজ বাড়িতে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। তবে হিজবুল্লাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত মানুষকে ঘরে না ফেরার আহ্বান জানিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম ও দিব্বিন শহরে ইসরাইলি গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, গোলাবর্ষণের পাশাপাশি ওই এলাকায় মেশিনগানের গুলিবর্ষণসহ ব্যাপক সামরিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
এছাড়া পশ্চিম বেকা উপত্যকায় ইসরাইলি নজরদারি বিমান ব্যাপকভাবে সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়েছে এনএনএ। বিশেষ করে রাশায়া অঞ্চল এবং জাবাল আল-শাইখের পশ্চিমে এসব বিমান উড়তে দেখা যাচ্ছে।
সূত্র: আল–জাজিরা