২০ এপ্রিল, ২০২৬
বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনদের টেস্টজীবন শেষ হওয়ার নেপথ্যে অজিত আগরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হয়। মোহাম্মদ শামির মতো বোলারকেও দীর্ঘ দিন ধরে ভারত জাতীয় দলের বাইরে রেখেছেন বিসিসিআইয়ের প্রধান নির্বাচক। তার পরও অজিতের ওপরই ভরসা রাখতে চাইছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
গৌতম গম্ভীরের মতো আগরকারের নানা সিদ্ধান্ত নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। ভারতীয় দল নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ক্রিকেটারদের একাংশও। তবে তার ওপর বোর্ড কর্তাদের ভরসা অটুট। আপাতত আগরকারকেই প্রধান নির্বাচক রেখে দিতে চাইছে বিসিসিআই। ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত আগরকারের সঙ্গে চুক্তি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন, 'আগরকারের সময়ে ভারতীয় দলে প্রচুর পরিবর্তন হয়েছে। কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সাহসের পরিচয় দিয়েছেন আগরকার। বোর্ড তাকেই দায়িত্বে রাখতে চাইছে। আইপিএলের মাঝে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আগরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন।'
তিনি জানিয়েছেন, আগরকারকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে এবং চুক্তি চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিষয়টি ঘোষণা করবে বিসিসিআই। সাবেক অলরাউন্ডার যে ভাবে ভারতীয় দলের তারকা সংস্কৃতিতে রাশ টেনেছেন, তা-ও খুশি করেছে বোর্ড কর্তাদের।
একাধিক কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও আগরকারের মেয়াদকালে ভারতীয় দল উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সাফল্য পেয়েছে। ২০২৪ এবং ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়, ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের মতো সাফল্য রয়েছে। ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালেও উঠেছিল ভারতীয় দল।