বাংলাদেশকে জরিমানা করল আইসিসি

২২ এপ্রিল, ২০২৬

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা। ব্যাটে-বলে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে ক্রিকেটাররা সিরিজ জয়ের সুযোগও তৈরি করেছেন। তবে জয়ের ম্যাচে জরিমানা গুণতে হলো তাদের। বাংলাদেশ দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ম্যাচ ফি'র ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। 

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। বাংলাদেশকে জরিমানা করার কারণ ধীর গতির বোলিং। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২ ওভার পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তাই ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট মেহেদী হাসান মিরাজ ও তার দলকে ১০ শতাংশ ম্যাচ ফি জরিমানা করেন।

আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ নম্বর অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট ওভার শেষ করতে ব্যর্থ হলে তা ন্যূনতম ওভার-রেট অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এ ক্ষেত্রে দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যত ওভার কম করবে, প্রতিটি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ করে জরিমানা করা হয়। ২ ওভার কম হওয়ায় টাইগারদের জরিমানা করা হয়েছে ১০ শতাংশ ম্যাচ ফি।

অন ফিল্ড আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওর্থ ও গাজী সোহেল, তৃতীয় আম্পায়ার নিতিন মেনন এবং চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুলের রিপোর্টের ভিত্তিতে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ দায় স্বীকার করে নেওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।

হার দিয়ে সিরিজ শুরু করায় দ্বিতীয় ম্যাচে বেশ চাপে ছিল বাংলাদেশ। তাই শুরু থেকেই কিউইদের চেপে ধরেন টাইগার বোলাররা। ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড, ৮ বল বাকি থাকতে। তা সত্ত্বেও ধীর বোলিংয়ের কারণে শাস্তি পেতে হলো স্বাগতিক দলকে।

১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ অবশ্য হেসেখেলেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। তানজিদ হাসান তামিমের ৭৮, নাজমুল হোসেন শান্তর ৫০ ও তাওহীদ হৃদয়ের ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেট ও ৮৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ, সিরিজে ফেরাত সমতা। ২৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যে ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায়।