যন্ত্র থাকলেও নেই মেয়াদ, চাহিদার তুলনায় সংখ্যাও নগণ্য

২৩ এপ্রিল, ২০২৬

যেকোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবহারের প্রধান মাধ্যম হলো অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র। অথচ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) এই যন্ত্রগুলোর অধিকাংশেরই মেয়াদ শেষ হয়ে পড়ে আছে। আবার প্রয়োজনের তুলনায় এগুলোর সংখ্যাও অপ্রতুল। এ নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তরে নতুন-পুরানো মিলিয়ে মোট ৪৪৬টি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রয়েছে। এগুলোর মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মার্চ শেষ হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তা পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এছাড়া বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, পাঁচটি আবাসিক হল ও প্রশাসনিক ভবন ঘুরে দেখা গেছে, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য। এমনকি ভিসি, প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ ও প্রক্টরের অফিসের সামনে থাকা যন্ত্রগুলোর মেয়াদ শেষ হলেও সেগুলো রিফিল বা পরিবর্তন করা হয়নি।

আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে তাদের উৎকণ্ঠার কথা জানা যায়। তারা বলেন হলে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বা কয়েলের মাধ্যমে যেকোনো সময় আগুন লাগতে পারে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানো সম্ভব না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এমনকি প্রাণহানিও ঘটতে পারে। তাই দ্রুত মেয়াদ থাকা নতুন সিলিন্ডার নিশ্চিত করা জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা জানিয়েছে, দ্রুতই এই সিলিন্ডারগুলো পুনরায় ভর্তি করা হবে। এ বিষয়ে নিরাপত্তা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাদেক হোসাইন মজুমদার বলেন আমরা টেন্ডার দিয়েছি এবং প্রক্রিয়াটি বর্তমানে চলমান রয়েছে। আগামী ৩ মে আমরা আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করব। কাজ বরাদ্দ হয়ে গেলেই দ্রুত পরিবর্তনের কাজ শুরু হবে।

ভিসি অধ্যাপক ড. হায়দার আলী এ বিষয়ে বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে টেন্ডার দিয়েছি এবং আমি প্রয়োজনীয় ফাইলে স্বাক্ষরও করেছি। আশা করছি খুব শিগগিরই নতুন যন্ত্রগুলো স্থাপন করা সম্ভব হবে।’