২৫ এপ্রিল, ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনদুপুরে দুটি বসতবাড়িতে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর লুটপাট করেছে কিশোর গ্যাং সদস্যরা। এসময় নারী ও শিশুরা ভয়ে আতংকিত হয়ে ডাক চিৎকার শুরু করে। তাদের সবার হাতে দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোঁটা ছিলো।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের দাইবাড়িটেক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা হলেন, দাইবাড়িটেক গ্রামের হেলাল উদ্দিন ও আব্দুর রশিদ।
গ্যাং লিডার রনি, আরিফ, রিপন, ইমন, সুমন, নাজমুল শ্রাবণসহ অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্য এ হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী রকিব জানান, দুদিন যাবৎ বিদ্যুৎ না থাকায় পাশের বাড়ি থেকে জেনারেটর ভাড়া করে এনে বসতবাড়ির পানি সংগ্রহ করি। পথিমধ্যে অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডার রনি তার বসতবাড়িতে পানি দিতে চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু ডিজেল সংকটের কারণে জেনারেটর মালিক তাদের বসতবাড়িতে পানি দিতে পারেনি। এই কারণে রনি আমাকে দায়ী করে রাস্তা অবরুদ্ধ করে মারধর করে। এর ঘণ্টাখানেক পর কিশোর গ্যাং লিডার রনির নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সদস্য দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোঁটা নিয়ে বসতবাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। বসতঘরের সমস্ত আসবাবপত্র ভাঙচুর করে লুটপাট চালায়। আমাদের বাড়ির নারী ও শিশুরা ভয়ে আতংকিত হয়ে ডাক চিৎকার শুরু করে।
ভুক্তভোগী সাব্বির হোসেন বলেন, হঠাৎ করে ৩০ থেকে ৪০ জন ছেলে লাঠিসোঁটা নিয়ে বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। এসময় আমাকে মারতে তেড়ে আসে। জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমার শিশুকন্যা সামিয়া এসব দেখে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বসতবাড়ির সবকিছু ভেঙে ফেলে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।