বাজেটে লিফট খাতে প্রণোদনার দাবি, ৭ দফা প্রস্তাব বেলিয়া’র

২৭ এপ্রিল, ২০২৬

আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে লিফটকে পুনরায় অত্যাবশ্যকীয় মূলধনি যন্ত্রপাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ এলিভেটর, এস্কেলেটর অ্যান্ড লিফট ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেলিয়া)। একই সঙ্গে খাতটির উন্নয়ন ও নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আরো ছয়টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় বেলিয়া’র প্রতিনিধি এমদাদুর রহমান লিখিতভাবে এসব প্রস্তাব পেশ করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন আবদুর রহমান খান।

বেলিয়া’র প্রধান প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে— লিফটকে অত্যাবশ্যকীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি হিসেবে পুনঃঅন্তর্ভুক্ত করা, যাতে অবকাঠামো উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং খাতটি প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা পায়।

সংগঠনটি আরো প্রস্তাব করেছে, লোড ফ্যাক্টর প্রতি কেজির হার ৩ ডলার থেকে কমিয়ে ১.৫০ ডলারে নামিয়ে আনা হলে আমদানি ব্যয় কমবে এবং ব্যবসা পরিচালনা সহজ হবে। পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদনের জন্য আমদানি করা কাঁচামালের ঘোষণায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং খোলা বাজারে এসব পণ্যের অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতায় ভারসাম্য আনতে আমদানি করা কাঁচামাল ও সম্পূর্ণ প্রস্তুত লিফটের মধ্যে বিদ্যমান কর বৈষম্য কমানোর আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া বন্দর পর্যায়ে ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়া সহজ করা, তথাকথিত ‘ব্রিফকেস’ কোম্পানিকে করের আওতায় আনা এবং কর কাঠামো প্রতি বছর পরিবর্তনের পরিবর্তে পাঁচ বছর অন্তর পর্যালোচনার সুপারিশ করা হয়েছে।

সভায় বেলিয়া’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারকে সঙ্গে নিয়ে আমদানি-নির্ভর এই খাতের বিকল্প উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ, নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা প্রণয়ন এবং একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনে তারা যৌথভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।