৩০ এপ্রিল, ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্বজুড়ে শহরগুলোতে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। দীর্ঘদিন ধরেই এর বাইরে নয় রাজধানী ঢাকা—মেগাসিটির বাতাসে দূষণের উচ্চমাত্রা প্রায় নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে।
এদিকে বৃষ্টি হলেও কমেনি দূষণ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইকিউএয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাতাসের মান আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।
১৬০ স্কোর নিয়ে আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে ভারতের শহর ‘দিল্লি’, এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’। একই সময় ১৫৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার শহর ‘জাকার্তা’, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য হবে।
আর ১৫৪ স্কোর নিয়ে এই তালিকায় ৩য় অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ‘ঢাকা’, যা এখানকার বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়।
আইকিউএয়ার স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা আইকিউএয়ার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।