শেষ ওভারের রোমাঞ্চে ইসলামাবাদকে হারিয়ে ফাইনালে হায়দরাবাদ

০২ মে, ২০২৬

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচটা ছিল রোমাঞ্চে ঠাসা। শেষ ওভারে মাত্র ৬ রান ডিফেন্ড করে জয় তুলে নিয়েছে হায়দরাবাদ কিংসমেন। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ২ রানে হারিয়ে পিএসএলের ফাইনালে উঠেছে নবাগত এই দলটি। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তারা খেলবে পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে।

প্রথম দল হিসেবে আগেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পেশোয়ার জালমি। আর দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে হারিয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে উঠেছে হায়দরাবাদ কিংসম্যান। শুক্রবার (১ মে) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে জিতে হায়দরাবাদকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইসলামাবাদ। নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান তোলে হায়দরাবাদ। জবাব দিতে নেমে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তুলতে পারে ইসলামাবাদ।  

আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় কিংসমেন। ৪ বল খেলে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন মাজ সাদাকাত। এরপর সাইম আইয়ুবকে নিয়ে দলের হাল ধরেন মার্নাস লাবুশেন। দলীয় ৭১ রানের মাথায় সাইম আইয়ুবকে সাজঘরে ফেরান ক্রিস গ্রিন। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৩৮ রান। 

এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাট করেছেন উসমান খান, ৩১ বলে খেলেছে ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস। এছাড়া কুশল পেরেরা ২১ বলে ৩৭ ও অধিনায়ক মারনাস লাবুশেন ৩২ বলে ৩৯ রান করেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান তোলে হায়দরাবাদ কিংসমেন। 

ইসলামাবাদের হয়ে ইমাদ ওয়াসিম নেন ২টি উইকেট। ফাহিম আশরাফ, ক্রিস গ্রিন ও রিচার্ড গ্লিসন নেন একটি করে উইকেট।  

১৮৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হলেও মাঝপথে চাপে পড়ে ইসলামাবাদ। ওপেনার ডেভন কনওয়ে ২৫ বলে ৩০ রান করেন, আর শাদাব খান করেন ২৪ বলে ২২। এরপর ম্যাচে ফেরার আশা জাগান মার্ক চ্যাপম্যান, ২৬ বলে ৪৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। হায়দার আলী ১৬ বলে ৩১ রানের ঝড়ো ক্যামিও খেলেন। 

শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৬ রান। হুনাইন শাহ’র করা সেই ওভারে প্রথম তিন বলে আসে মাত্র ১ রান, ফলে সমীকরণ দাঁড়ায় ৩ বলে ৫ রান। চাপে পড়ে পরের বলেই আউট হন ফাহিম আশরাফ। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান, কিন্তু ইসলামাবাদ নিতে পারে মাত্র ১ রান। 

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ২ রানের জয় পায় হায়দরাবাদ কিংসমেন। ক্রিস গ্রিন ৯ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে পারেননি। হায়দরাবাদের হয়ে মোহাম্মদ আলী ও হুনাইন শাহ দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া আকিফ জাভেদ, হাসান খান ও সাইম আইয়ুব একটি করে উইকেট নিয়েছেন।