০৪ মে, ২০২৬
এক মাসব্যাপী উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই শেষে পর্দা নামল পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ২০২৬-এর। ফাইনালে হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুলেছে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পেশাওয়ার জালমি।
ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ১৮ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয় কিংসমেন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সাইম আইয়ুব।
বল হাতে হার্ডির ৪ উইকেটের পাশাপাশি বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানা ২টি উইকেট নেন।
১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় জালমি। প্রথম ওভারেই ফেরেন বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিস। এরপর দ্রুত আরো দুটি উইকেট হারিয়ে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি।
সেখান থেকে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হার্ডি ও আবদুল সামাদ। দুজন মিলে ৮৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। সামাদ ৪৮ রান করে আউট হলেও হার্ডি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের মাধ্যমে ২০১৭ সালের পর আবারও পিএসএল শিরোপা জিতল পেশোয়ার জালমি।
একই সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে এটি বাবর আজমের প্রথম বড় ট্রফি।
এই জয়ে শুধু শিরোপাই নয়, মোটা অঙ্কের পুরস্কার অর্থও ঘরে তুলেছে পেশাওয়ার জালমি। ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি পেয়েছে ৫ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার সমান। এছাড়া রানার্সআপ হায়দরাবাদ কিংসমেন পেয়েছে ৩ লাখ ডলার।
ব্যক্তিগত পুরস্কার
টুর্নামেন্ট সেরা: সুফিয়ান মুকিম (২২ উইকেট)
সেরা ব্যাটার (হানিফ মোহাম্মদ ক্যাপ): বাবর আজম – ৫৮৮ রান
সেরা বোলার (ফজল মাহমুদ ক্যাপ): সুফিয়ান মুকিম
উদীয়মান খেলোয়াড়: হুনাইন শাহ
সেরা উইকেটকিপার: কুশল মেন্ডিস
অলরাউন্ডার অব দ্য টুর্নামেন্ট: শাদাব খান
স্পিরিট অব ক্রিকেট: হায়দরাবাদ কিংসমেন।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে দাপট দেখিয়েছে জালমি। লিগ পর্বে ১০ ম্যাচের মধ্যে ৮টিতে জয় পেয়ে প্লে-অফে ওঠার পরও সেই ছন্দ ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিতেছে তারা।