৫৪ শিক্ষকের বেতন নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনা

০৪ মে, ২০২৬

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ৫৪ জন শিক্ষকের বেতন সংক্রান্ত একটি নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ লঙ্ঘন করে ভুল গ্রেডে বেতন তোলায় এই শিক্ষকদের বেতন সংশোধন ও অতিরিক্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) অধিদপ্তরের এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই আদেশ জারি করা হয়।

তাদের মধ্যে ২১ জন সহকারী শিক্ষকের (কৃষি) বেতন গ্রেড ১০ থেকে ১১-তে সংশোধন করা হয়েছে এবং ৩৩ জন ইবতেদায়ি শিক্ষকের বেতন কোড ১৩ থেকে ১৪-তে অবনমন করা হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত মার্চ মাসে নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া ২১ জন সহকারী শিক্ষক (কৃষি) ভুলবশত ১০ম গ্রেডে বেতন পাচ্ছিলেন, যা নীতিমালার পরিশিষ্ট ‘ঘ’-এর ৩১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১১তম গ্রেড হওয়ার কথা। মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা এসব আবেদন ভুলবশত অনুমোদিত হয়ে গিয়েছিল। এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সিদ্ধান্তে এখন তাদের বেতন গ্রেড সংশোধন করে ১১তম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ৩৩ জন ইবতেদায়ি মৌলভী, শিক্ষক ও ক্বারী শিক্ষক উচ্চতর স্কেল পেয়ে ১৩তম কোডে বেতন উত্তোলন করছিলেন। তবে এমপিও নীতিমালা-২০২৬ এর ১১ দশমিক ৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সমগ্র চাকরি জীবনে দুটির বেশি উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পাওয়ার সুযোগ নেই। ফলে এই ৩৩ জন শিক্ষকের বেতন কোড ১৩ থেকে অবনমন করে পুনরায় ১৪-তে নির্ধারণ করা হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা ওই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সুপারদের এই নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে অতিরিক্ত টাকা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে তার প্রমাণক জমা দিতেও শিক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।