ক্রীড়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

০৪ মে, ২০২৬

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে পেশাগত স্বীকৃতি বাবদ ক্রীড়া ভাতা এবং ক্রীড়া কার্ড প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যে ৩০০ জনকে দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন জাতীয় খেলোয়াড়দের এই ক্রীড়া ভাতা ও কার্ডের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করবো। এভাবে আমরা তৃণমূল থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত ও উজ্জীবিত করতে এবং পেশাদারিত্বের ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

সোমবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে চাই। যার অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে এই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা। স্কুল ও কলেজ পর্যায়েও খেলাধুলার আয়োজন করছি। আমরা ইতোমধ্যে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পোর্টস রিলেটেড আরও কিছু সাবজেক্ট চালুর পরিকল্পনা করেছি। আগামী বছর থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে যেভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন তাতে আমাদের পারিবারিক, সামাজিক ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় গুণগত পরিবর্তন আসবে। আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইস থেকে দূরে রাখতে চাই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান জেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিসার রয়েছে, আগামীতে উপজেলা পর্যায়েও নিয়োগের মাধ্যমে স্পোর্টস নিয়ে যারা পড়াশোনা করেছেন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ১৭ বছরের রাজনৈতিক দুঃশাসন থেকে বেরিয়ে এসে আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে যেতে চাই। সেই শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশের অন্যতম মাধ্যম হবে খেলাধুলা।

অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। এবারের আসরে মোট ৩০টি ইভেন্টে দেশের ২১টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে।