লিমন-বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরাল ডিগ্রি দেবে সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটি

০৬ মে, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির নিহত পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন (২৭) ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে (২৭) মরণোত্তর ডক্টরাল ডিগ্রি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৭ মে) থেকে রবিবারের মধ্যে অনুষ্ঠিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ৮ হাজার শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হবে। তাদের মধ্যে থাকবেন লিমন ও বৃষ্টি!

তাদের সম্মানে প্রতিটি অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নীরবতাও পালন করা হবে। শুক্রবার সকালে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে লিমন ও বৃষ্টির সম্মানে অ্যারেনার মেঝেতে পদক-সজ্জিত দুটি খালি চেয়ার রাখা হবে।

এ বছরের ৩৫৩টি ডক্টরেট ডিগ্রির মধ্যে লিমন ও বৃষ্টিও রয়েছেন।

লিমন সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল তিনি নিখোঁজ হন। লিমনের সঙ্গে নিখোঁজ হন বৃষ্টি ।

তাদের এক বন্ধু বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জামিলের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে তার পারিবারিক বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় থেকে বলা হয়, আবুঘরবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গত ২৪ এপ্রিল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় আবর্জনা ফেলার কালো রঙের কয়েকটি ব্যাগের মধ্যে জামিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, লিমনের মরদেহে কোনো কাপড় ছিল না এবং মরদেহে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল।

এ ঘটনায় আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যার দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধারের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আবুঘরবেহ লিমনের রুমমেট ছিলেন।

লিমনের মরদেহ খুঁজে পাওয়ার দুই দিন পর গত ২৬ এপ্রিল ম্যানগ্রোভ এলাকায় কয়েকজন মাছশিকারি কায়াক চালানোর সময় একটি কালো রঙের পলিথিন দেখতে পান। হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে যেখানে জামিলের মরদেহ খুঁজে পাওয়া গেছে, এলাকাটি এর কাছেই।

খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনের ভেতর মরদেহের খণ্ডিত অংশ দেখতে পায়। তবে খণ্ডিত অংশগুলো এমন অবস্থায় ছিল যে পুলিশ সেগুলো শনাক্ত করতে পারছিল না। ৩০ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে এসে হিসলবরো কাউন্টি শেরিফ নিশ্চিত করেন, উদ্ধার হওয়া খণ্ডিত অংশ বৃষ্টির।

আদালতের নথি অনুযায়ী, লিমনের মরদেহে কোনো কাপড় ছিল না এবং মরদেহে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যার দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধারের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আবুঘরবেহ লিমনের রুমমেট ছিলেন।

সূত্র : ডব্লিউএফএএ