১০ মে, ২০২৬
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) লিওনেল মেসি আরও একটি জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দিলেন। শনিবার (৯ মে) কানাডায় এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমের ১২তম ম্যাচ ডেতে মেসির অসাধারণ নৈপুণ্যে টরেন্টো এফসিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।
আর্জেন্টিনার জার্সিতে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলার অপেক্ষায় থাকা মেসি এদিন পুরো ম্যাচজুড়ে ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। টরেন্টোর বিপক্ষে একটি গোল করার পাশাপাশি দুটি অ্যাসিস্ট দিয়েছেন। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি আরেকটি নতুন রেকর্ডও গড়েছেন।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে যোগ দেওয়ার পর থেকে নিয়মিত মৌসুমে মেসি ১০০টি গোল অবদান রাখলেন। এর ফলে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক এমএলএস ইতিহাসে দ্রুততম খেলোয়াড় হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন।
এই সাবেক বার্সেলোনা তারকা ৬৪ ম্যাচে করেছেন ৫৯টি গোল ও ৪১টি অ্যাসিস্ট। এই অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে ইতালির সেবাস্টিয়ান গিওভিঙ্কোর রেকর্ড ভেঙেছেন মেসি। জিওভিনকো ২০১৫ সালে টরন্টোর হয়ে খেলতে এসে ৯৫ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছিলেন, যা মেসির চেয়ে ৩১ ম্যাচ বেশি।
কানাডার এই ম্যাচে মেসি সরাসরি দলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় গোলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। প্রথমে ডান প্রান্ত থেকে বক্সের বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি নিখুঁত একটি পাস বাড়িয়ে দেন লুইস সুয়ারেজের কাছে। উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ডের কাজ ছিল শুধু গোলরক্ষকের ডান পাশ দিয়ে বল জালে ঠেলে দেওয়া।
এরপর তিনি দারুণ বোঝাপড়া গড়েন স্পেনের সার্জিও রেগুইলিওনের সঙ্গে। সেই আক্রমণ থেকেই রেগুইলিওন নিজের প্রথম লিগ গোলটি করেন।
তবে এই দুই অবদানেই থেমে থাকেননি মেসি। হেরনসরা যখন ম্যাচে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে, তখন তিনি রদ্রিগো ডি পলের সঙ্গে দারুণ সমন্বয় করেন। ডান দিক থেকে ডি পলের ক্রস পেনাল্টি স্পটে পৌঁছালে মেসি বাম পায়ের শটে গোলরক্ষক লুকা গাভরানের ডান পাশ দিয়ে বল জড়িয়ে দেন।
আজকের গোলসহ মেসির ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা এখন ৯০৭।
এই মৌসুমেও তিনি দুর্দান্ত ছন্দে আছেন। ১৩ ম্যাচে তার গোল ১০টি। এর মধ্যে ১১টি লিগ ম্যাচে ৯ গোল এবং বাকি ১টি গোল এসেছে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নশিপে, যেখানে তিনি খেলেছেন দুটি ম্যাচ।