গত কয়েক বছরে চামড়া খাতকে কার্যত ধ্বংস করা হয়েছে: শিল্পমন্ত্রী

১৬ মে, ২০২৬

 

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেছেন, গত কয়েক বছরে এ খাতকে কার্যত ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। অথচ দেশে বছরে যে পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ হয়, তা সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করা গেলে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।

তিনি বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপ মোকাবিলায় সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপির বর্তমান সক্ষমতা যথেষ্ট নয়।

শনিবার (১৬ মে) সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকায় চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে তিনি বিসিক কার্যালয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন।

মন্ত্রী বলেন, চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত। তবে হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর ছিল অপরিকল্পিত ও অবহেলাপূর্ণ। ফলে এ শিল্প কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সিইটিপিতে প্রি-ট্রিটমেন্টের মান বজায় রেখে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৮ হাজার সিপিএম বর্জ্য পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। তবে ঈদ মৌসুমে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় দৈনিক বর্জ্য পরিশোধনের চাহিদা প্রায় ৪৫ হাজার সিপিএমে পৌঁছে যায়। এতে বিদ্যমান সিইটিপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক।

তবে সেই অনুযায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

মতবিনিময় সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিক কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন ট্যানারি মালিক উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী অঞ্জুমান ও ঢাকা হাইড অ্যান্ড স্কিন ট্যানারি পরিদর্শন করেন।