রিজওয়ান-সালমানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে পাকিস্তান

১৯ মে, ২০২৬

৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে দারুণ চাপে পড়ে পাকিস্তান। ১৬২ রানেই ৫ উইেট হারিয়ে ম্যাচে বাংলাদেশের জয় প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। তবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার দৃঢ় জুটি স্বাগতিকদের সেই আনন্দে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৭০ রান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ১৬৭ রান, আর বাংলাদেশের দরকার শেষ ৫ উইকেট। রিজওয়ান ১০৩ বলে ৫৯ এবং সালমান আগা ৭৫ বলে ৫১ রানে অপরাজিত আছেন। দুজনে মিলে ইতোমধ্যে ১০৮ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়েছেন।

চতুর্থ দিনের শুরুতেই সাফল্য পায় বাংলাদেশ। দলীয় ২৭ রানে নাহিদ রানার বলে গালিতে ক্যাচ তুলে ফিরে যান আব্দুল্লাহ ফজল। মেহেদি হাসান মিরাজের নেওয়া দুর্দান্ত ক্যাচে ৬ রানেই থামে তার ইনিংস। এরপর অন্য ওপেনার আজান আওয়াইসও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২১ রান করে মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। ৪১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান।

এরপর বাবর আজম ও অধিনায়ক শান মাসুদ জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন। দুজনে মিলে ৯২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে বাংলাদেশের বোলারদের চাপে ফেলেন। তবে সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৪৭ রান করা বাবর তাইজুলের বলে ব্যাটের কানায় লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দেন। ১৩৩ রানে পড়ে পাকিস্তানের তৃতীয় উইকেট।

নাহিদ রানা এরপর ফের আঘাত হানেন। মাত্র ৬ রান করা সৌদ শাকিলকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। আম্পায়ার আউট দেওয়ার পর রিভিউ নিলেও সিদ্ধান্ত বদলায়নি। ১৫৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

এর কিছুক্ষণ পরই তাইজুল ইসলামের শিকার হন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। ৭১ রান করা শান শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দেন। ১৬২ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে সফরকারীরা।

এর আগে তৃতীয় দিনের শেষে পাকিস্তান কোনো রান না করেই দুই ওভার পার করেছিল। বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম। তার ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার আগে তোলে ৩৯০ রান এবং পাকিস্তানের সামনে দাঁড় করায় ৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।