২৩ মে, ২০২৬
নতুন রানারদের উদ্বুদ্ধ করা, দৌড় বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে ‘দৌড় শব্দকোষ’ এবং ত্রৈমাসিক অনলাইন ম্যাগাজিন ‘দৌড়’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর জাতীয় চার্চ পরিষদের মিলনায়তনে বাংলা ম্যারাথন প্রকাশিত এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এতে অংশ নেন বিভিন্ন রানিং ইভেন্ট ও কমিউনিটির প্রতিনিধিরা।
বাংলা ম্যারাথন জানিয়েছে, দৌড় শব্দকোষ গ্রন্থটি নতুন ও অভিজ্ঞ সব স্তরের দৌড়বিদদের জন্য প্রস্তুত করা একটি বিস্তৃত ও তথ্যসমৃদ্ধ সংকলন। এতে সন্নিবেশিত রয়েছে দৌড়ের জগতে বহুল ব্যবহৃত দেশি-বিদেশি পরিভাষার সহজবোধ্য ব্যাখ্যা, প্রাসঙ্গিক উদাহরণ এবং প্রয়োগের নির্দেশনা
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রান বাংলার রেস ডিরেক্টর খন্দকার রাজীব হোসেন, রান বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সাজনান মোহাম্মদ, ইন্সপায়ার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফাহাদ, অ্যাকটিভ পালস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মো. তানভীর হাসান, প্রবীণ রানার খবির উদ্দিন খান, একেএম আহসান উল্যাহ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বিভিন্ন রানিং ইভেন্ট ও কমিউনিটি কার্যক্রমে মানুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে দৌড় বিষয়ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, ধারণা ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত তথ্য এখনো বাংলায় সহজভাবে উপস্থাপিত হয়নি। এই বাস্তবতা থেকে বাংলা ম্যারাথনের উদ্যোগে প্রকাশিত ‘দৌড় শব্দকোষ’ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। যেখানে রানিং সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শব্দ, পরিভাষা ও তাদের ব্যবহারিক দিক সহজ, প্রাঞ্জল ও বোধগম্য বাংলায় তুলে ধরা হয়েছে। নতুন রানারদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ রানারদের জন্যও এটি একটি সহায়ক রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।
বাংলা ম্যারাথন জানিয়েছে , ম্যাগাজিন ‘দৌড়’-এ স্থান পেয়েছে রানিং বিষয়ক অভিজ্ঞতা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, প্রশিক্ষণ কৌশল, পুষ্টি, মানসিক প্রস্তুতি, অনুপ্রেরণামূলক গল্প এবং দেশের বিভিন্ন রানিং উদ্যোগের নানা দিক।
বাংলা ম্যারাথনের আয়োজক যোয়েল কর্মকার ও নাজিম শাহেদ জানান, বাংলা ভাষাভাষী রানারদের জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক ও ইতিবাচক প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রয়াস থেকেই এই প্রকাশনার যাত্রা। বাংলাদেশের রানিং কমিউনিটির বিকাশের লক্ষ্যে আগামীতেও সবার অংশগ্রহণে এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে।
দৌড়বিন খন্দকার তারেক উদ্দীন বলেন, রানিং একটা হ্যাবিট। আমাদের জন্য পুষ্টি প্রয়োজন। অনেক রানার আছেন তারা জানেন না, রানের আগে কিংবা পরে কি খাবার প্রয়োজন। কিংবা রানিংয়ের সময় কি খেতে হয়।
দৌড়বিদ ড. মল্লিক বলেন, রান নিয়ে যে শব্দকোষ তৈরি করা যায় এটা একটা দৃষ্টান্ত। রানারদের নিউট্রেশন (পুষ্টি) ও হাইড্রেশন নিয়ে বই তৈরি করতে হবে। এছাড়া রানিং কমিউনিটির একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার বলে মনে করেন তিনি।