২৪ মে, ২০২৬
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাল সনদে কর্মরত ৬৩ শিক্ষক-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। তাদের বিরুদ্ধে কেন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
শনিবারসহ (২৩ মে) সম্প্রতি পৃথক নোটিশের মাধ্যমে এ শোকজ করা হয়। নোটিশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজের চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা থেকে ৪৭১ জন জাল বা ভুয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীর তালিকা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন এবং কারিগরি পর্যায়ের ৫ জন রয়েছেন।
‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ অনুযায়ী তালিকাভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। এতে বলা হয়, তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত থাকায় এমপিও বাতিল বা স্থগিত, গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ বাতিলসহ অন্যান্য ব্যবস্থা কেন গ্রহণ করা হবে না— সে বিষয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জবাব দিতে হবে।
শোকজ পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার জালসুকা হাবিবুর রহমান কলেজের সহকারী গ্রন্থাগারিক মো. আবদুর রাকিব, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার শাপলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রভাষক মুহাম্মদ মোবারক হোসেন, রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মাঝবাড়ী জাহানারা বেগম কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, গাজীপুরের সিরাজ উদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস, টাঙ্গাইলের মেহেরুন্নেছা মহিলা কলেজের প্রভাষক মুক্তা রাণী দে প্রমুখ।
অন্যদের নামের পূর্ণাঙ্গ তালিকা সংশ্লিষ্ট নোটিশে প্রকাশ করা হয়েছে।