২৪ মে, ২০২৬
সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটার আগেই ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী। ঘর থেকে ডেকে একটি নির্জন আস্তানায় নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠেছে। ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর মা বাদী হয়ে শনিবার সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ধর্ষণের ঘটনায় জনতা আটক করে অভিযুক্ত দুই যুবককে পুলিশে দিয়েছে। শনিবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাতে ধর্ষকদের মাদকসেবনের আস্তানা ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হলো- সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ থানাধীন গোপাল এলাকার সালমান শাহ (৩২) ও আলী হোসেন (৩০)। এলাকায় তারা মাদক কারাবারি ও মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে শুক্রবার ওই কিশোরীকে ডেকে বাড়ির পাশের একটি নির্জন স্থানে তাদের মাদকসেবনের আস্তানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে এলাকার কিছু লোকজন গিয়ে ধর্ষকদের ঘেরাও করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে আটক ও কিশোরীকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে পাঠায়।
এদিকে, ধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার রাতে এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা গোপালস্থ মাদকসেবী ধর্ষকদের আস্তানায় হামলা চালায়। তারা আস্তানাটি গুড়িয়ে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবীব জানান, ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর মা বাদী হয়ে আটক দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আটক দুইজনকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।