বাজে আসর শেষে যে ৫ ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিচ্ছে কলকাতা!

২৫ মে, ২০২৬

এবারের আসর শুরুর আগে থেকেই চোট ভুগিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। বিশেষ করে দলের বোলিং বিভাগকে। তার সঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমানকে কিনেও দলে না পাওয়া হারে হারে টের পেয়েছে কলকাতা। শেষ পর্যন্ত সাত নম্বরে থেকে আসর শেষ করায় করায় খুশি নয় কেকেআর কর্তৃপক্ষ। স্কোয়াডের অন্তত পাঁচ ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিতে পারে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

দুই বছর কেকেআরকে নেতৃত্ব দিলেন ৩৭ বছর বয়সী আজিঙ্কা রাহানে। একবারও প্রত্যাশা মতো ফল এনে দিতে পারেননি। গত আসরে আট নম্বরে শেষ করার পর এ বার সাতে। রাহানের নেতৃত্বে খুশি নয় কেকেআর কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তার দুর্বলতা বার বার দেখা গেছে। বোলিং পরিবর্তন, ফিল্ডিং সাজানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বেশ কিছু ম্যাচে। বোলারদের ঠিক মতো ব্যবহার করতে পারেননি। প্রয়োজনে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারকে নেওয়া হয়েছিল নেতৃত্বের কথা ভেবে। ঠিক এই জায়গাতেই তিনি ব্যর্থ।

অজি অলরাউন্ডার ক্যামেরুন গ্রিনকে ২৫ কোটি রুপিতে দলে নিয়েছিল কেকেআর। ভেঙ্কি মাইসোরেরা মনে করছেন, গ্রিন মূল্য দিতে ব্যর্থ। ব্যাট বা বল হাতে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। দলের কোনো জয়েই তেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেই তার। ১৪ ম্যাচে করেছেন ৩২২ রান। প্রথম চারটি ম্যাচে বল করতে পারেননি। পরের ১০ ম্যাচে ৭ উইকেট। তাই ২৫ কোটি দিয়ে গ্রিনকে ধরে রাখার সম্ভাবনা খুবই কম।

এ বার কেকেআরের অন্যতম ব্যর্থ ক্রিকেটার বৈভব। ম্যাচের পর ম্যাচ দলকে ডুবিয়েছেন। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। অথচ হর্ষিত রানা, মাথিশা পাথিরানাদের অনুপস্থিতিতে তার উপরে অনেকটা ভরসা করেছিলেন অভিষেক নায়াররা। তাই শেষ দিকে একাদশ থেকে তাকে বাদ দিতে বাধ্য হয়েছিল কেকেআর কর্তৃপক্ষ।

মাথিশা পাথিরানাকে নিয়েও মোহভঙ্গ হয়েছে মাইসোরদের। ১৮ কোটি রুপি দিয়ে কিনেও তাকে পাওয়া যায়নি। চোটের জন্য আইপিএলের প্রথমার্ধে দলের সঙ্গে যোগই দিতে পারেননি। পরে যোগ দিলেও ফিটনেস সমস্যার কারণে খেলানো যায়নি। গত ১৬ মে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে তাকে নামানো হয়। ১.২ ওভার বল করার পর আবার চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। আর খেলতে পারেননি।

রিংকু সিংয়ের সঙ্গে ফিনিশার হিসেবে ভাবা হয়েছিল রমনদীপকে। এ বারের আইপিএলে বলার মতো একটা ইনিংসও খেলতে পারেননি তিনি। পুরো আসরে ৬৮ বল খেলে ৮টি চার এবং ২টি ছক্কা মেরেছেন। ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে তার স্ট্রাইক রেট ১২০.৫৮। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যা অচল।