২৬ মে, ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরী নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ নানাকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা নানা শাহাবুল ইসলামকে (৪৭) গণধোলাই দিয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত নানাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক শাহাবুল ইসলাম দৌলতপুর উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ভুক্তভোগী মেয়েটির নানির দ্বিতীয় স্বামী। বিয়ের পর থেকে তারা ভেড়ামারা উপজেলায় বাড়ি ভাড়া করে থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভুক্তভোগী মেয়ে তার নানার বাড়িতে বেড়াতে যায়। মঙ্গলবার সকালে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে সৎ নানা শাহাবুল ইসলাম তাঁকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। কিশোরী মেয়েটির চিৎকার ও কান্নাকাটি শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
এ সময় স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে শাহাবুলকে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ভেড়ামারা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনা জানার পর সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফরিদা ইয়াসমিন ভুক্তভোগী পরিবারের সাথে দেখা করেছেন। জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃত ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। তাকে চিকিৎসা শেষে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ভুক্তভোগী মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।