১০ জুন, ২০২৬
বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং জার্মানির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিষয়ক ফেডারেল ফরেন অফিসের মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যান।
বুধবার (১০ জুন) বাণিজ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি রফতানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প। তবে দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ জন্য সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
তিনি জানান, ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে স্বাগত জানানো হবে।
জবাবে ফ্রাংক হার্টম্যান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, জ্বালানি বৈচিত্র্যকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে জার্মানির সরকার ও বেসরকারি খাত সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী।
বৈঠকে এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাজার সুবিধা বজায় রাখতে জিএসপি প্লাস এবং সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়েও আলোচনা হয়।