১৪ জুন, ২০২৬
ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র দল হিসেবে পাঁচটি বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছে ব্রাজিল। বিশ্বমঞ্চে পেলের যুগ থেকে শুরু করে রোনালদো-রোনালদিনহোদের জাদুকরী ছন্দ সেলেসাওদের এনে দিয়েছে এক চিরন্তন আধিপত্যের তকমা। তবে বিগত পাঁচটি বিশ্বকাপে শেষ মুহূর্তের ব্যর্থতা আর হতাশার পর, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের হেক্সা (ষষ্ঠ শিরোপা) মিশন সফল করতে এবার প্রযুক্তির চরম আশ্রয় নিয়েছে ব্রাজিল দল।
আজ নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে আফ্রিকার পরাশক্তি মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। তবে এই মাঠের লড়াইয়ের পেছনে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে খেলোয়াড়দের প্রতি মুহূর্তের শারীরিক ডেটা বা পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের এক বিশাল মহাযজ্ঞ।
গ্যালারির দর্শকদের আড়ালে ব্রাজিলের ক্রীড়া বিজ্ঞানীরা বেশ কয়েক বছর ধরে স্পোর্টস টেকনোলজি কোম্পানি ‘ক্যাটাপুল্ট’- এর তৈরি এক বিশেষ পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছেন। ব্রাজিলের ঘরোয়া লিগ থেকে শুরু করে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা তাদের জার্সির নিচে এক ধরণের সেন্সর-যুক্ত ‘স্মার্ট ভেস্ট’ পরে অনুশীলন ও ম্যাচ খেলেন।
এই ভেস্টের ভেতরের সিমগুলোতে থাকে হার্ট-রেট ইলেকট্রোড এবং পকেটে থাকে একটি জিপিএস ট্র্যাকিং ডিভাইস। এর মাধ্যমে প্রতিটি খেলোয়াড়ের স্প্রিন্ট গতি, হার্টবিট বা হৃদস্পন্দনের হার, ক্লান্তির মাত্রা, পেশির ওপর পড়া শারীরিক চাপ বা প্লেয়ার লোড, ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার গতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়।