১৪ জুন, ২০২৬
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে গত ৭২ ঘণ্টায় অভিযানে আরো ২১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
শনিবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর জানায়, মিরানশাহ ও আশপাশের এলাকায় সন্ত্রাসীদের একাধিক আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি হয়।
আইএসপিআরের ভাষ্য, নিহত ব্যক্তিরা ‘ভারত-সমর্থিত ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ গোষ্ঠীর সদস্য। নিহতদের মধ্যে চারজন শীর্ষ নেতা রয়েছেন। তারা হলেন- খালিদ রাজা ওরফে সালার, মুফতুন, মুসা এবং ইমরান ওরফে আয়ান।
সেনাবাহিনীর দাবি, এসব নেতা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিক হত্যাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোকে ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ নামে উল্লেখ করে।
আইএসপিআর আরো জানায়, গত সপ্তাহে শুরু হওয়া অভিযানে এর আগে ২৭ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছিল। সর্বশেষ অভিযানের পর মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অন্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বান্নুতে পৃথক ঘটনায় নিহত ৩
এদিকে খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় পৃথক ঘটনায় এক সন্দেহভাজন জঙ্গি ও আরো দুজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
কমিটির তথ্যমতে, আখতার মুহাম্মদ নামে এক জঙ্গি কমান্ডারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সহায়ক হিসেবে পরিচিত শাহিদ শুক্রবার রাতে কঙ্গার সেতুর কাছে এক অভিযানে নিহত হন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল।
অন্যদিকে ডোমেল লিংক সড়ক থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত দুজন হলেন লাখি মারওয়াত জেলার ওয়ান্ডা সারাই নওরাং এলাকার বাসিন্দা গাজি মারজান ও পারভেজ। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সম্প্রতি তাদের অপহরণ করা হয়েছিল। ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্র: ডন।