১৪ জুন, ২০২৬
হিথ্রো বিমানবন্দরে শনিবার ব্রিটিশ ইসলামবিরোধী কর্মী টমি রবিনসনকে আটক করা হয় এবং তার ফোন জব্দ করা হয়েছে। এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। এর আগে উত্তর আয়ারল্যান্ডে সাম্প্রতিক বর্ণবাদী ও অভিবাসীবিরোধী দাঙ্গা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ধারাবাহিক পোস্ট দেন রবিনসন।
স্টিফেন ইয়্যাক্সলি-লেনন নামে পরিচিত রবিনসন এক্সে জানান, শনিবার সন্ধ্যায় সন্ত্রাসবিরোধী ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের আওতায় তাকে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।
এক্সে তিনি লেখেন, ‘পুলিশ আমার ফোন জব্দ করেছে। অনুগ্রহ করে আমার আইনি লড়াইয়ের তহবিলে সহায়তা করুন।’
গত সপ্তাহে বেলফাস্টে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় বারবার পোস্ট করেছিলেন রবিনসন। এক ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাতের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। হামলায় ওই ব্যক্তি একটি চোখ হারান। এ ঘটনায় এক সুদানি ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না।
পরবর্তী কয়েক দিনে দাঙ্গাকারীরা জাতিগত সংখ্যালঘু ও বিদেশি বাসিন্দাদের মালিকানাধীন বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। ব্রিটিশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এই ঘটনাকে ‘বর্ণবাদী সন্ত্রাসী আচরণ’ বলে বর্ণনা করেছেন।
স্থানীয় রাজনীতিকরা বলেছেন, অনলাইনে সক্রিয় উগ্র ডানপন্থি উসকানিদাতারা এই সহিংসতা সমন্বয় বা প্রচারে ভূমিকা রেখেছে।
তার নাম উল্লেখ না করে পুলিশের এক মুখপাত্র বলেছেন, শনিবার তুরস্ক হয়ে রাশিয়া থেকে ব্রিটেনে ফেরার পর হিথ্রো বিমানবন্দরে চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
তিনি বললেন, ‘কর্মকর্তারা ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তার কমিউনিকেশন ডিভাইস জব্দ করেন। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’