২১ জুন, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়াকে একসময় ৬২ রানে অলআউট করার স্মৃতি ছিল বাংলাদেশের। পাঁচ বছর পর চট্টগ্রামে সেই অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ল স্বাগতিকরা। তবে তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংসে বড় লজ্জা এড়িয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা।
সিরিজ আগেই হেরে যাওয়ায় শেষ ম্যাচে সান্ত্বনার জয় ছিল বাংলাদেশের লক্ষ্য। সেই ম্যাচে তিনটি পরিবর্তন এনে একাদশ সাজায় টিম ম্যানেজমেন্ট। দলে ফেরানো হয় নুরুল হাসান সোহান, শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদকে।
চট্টগ্রামের সাগরিকা স্টেডিয়ামে ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতেই ধসে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। মাত্র ২২ রানেই হারায় ৩ উইকেট। ১০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ছিল ৫ উইকেটে ৪২ রান।
ইনিংসের শুরুতেই রানআউট হয়ে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। মাত্র ২ বল খেলে ৫ রান করা এই ওপেনারের বিদায়ে বিপর্যয়ের সূচনা। এরপর স্পেন্সার জনসনের বলে সাইফ হাসান ১ রান করে বিদায় নেন। নুরুল হাসান সোহানকে বোল্ড করেন অ্যাডাম জাম্পা। শামীম পাটোয়ারি, রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদও ব্যর্থ হন।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা। স্পেন্সার জনসন ছিলেন সবচেয়ে ভয়ংকর। চার ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। তাঁর ২৪ বলের মধ্যে ২০টিই ছিল ডট বল। অন্যদিকে নাথান এলিস ২১ রানে নেন ২ উইকেট। লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পাও ২২ রানে ২ উইকেট তুলে নেন।
দলের একপ্রান্তে যখন নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ছিল, তখন একাই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন তাওহিদ হৃদয়। ৪১ বলে ক্যারিয়ারের সপ্তম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার।