২৬ জুন, ২০২৬
চার দশকের অপেক্ষার অবসান। নতুন রূপে বড় পর্দায় ফিরেছে ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় নারী সুপারহিরো ‘সুপারগার্ল’। ১৯৮৪ সালের সিনেমার পর এবার একেবারে নতুন গল্প, নতুন অভিনেত্রী ও ভিন্ন নির্মাণশৈলীতে দর্শকদের সামনে হাজির হলো ডিসি স্টুডিওসের বহুল প্রতীক্ষিত এই চলচ্চিত্র।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে ‘সুপারগার্ল’। একই দিন থেকে বাংলাদেশের দর্শকরাও স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি উপভোগ করতে পারবেন। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন ক্রেইগ গিলেস্পি।
এর আগে ‘আই, টনিয়া’ ও ‘ক্রুয়েলা’ নির্মাণের মাধ্যমে তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এবার তাঁর হাত ধরেই নতুনভাবে পর্দায় ফিরল ডিসির অন্যতম জনপ্রিয় সুপারহিরো।
সুপারগার্ল বা কারা জোর এলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক। তাঁর সঙ্গে আরো রয়েছেন ম্যাথিয়াস শোনার্টস, ইভ রিডলি, ডেভিড ক্রামহোল্টজ, এমিলি বিচাম, ডেভিড কোরেনসওয়েট এবং জেসন মোমোয়া।
‘হাউস অব দ্য ড্রাগন’-এ তরুণ রেনিরা টারগারিয়েন চরিত্রে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি পান মিলি অ্যালকক। এবার প্রথমবারের মতো সুপারগার্লের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাঁকে, যা নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ ছিল শুরু থেকেই।
নতুন সিনেমায় সুপারগার্লের গল্পকে আগের চেয়ে আরও গভীর ও আবেগঘনভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে কারা জোর-এল পৃথিবীতে নয়, ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রহ ক্রিপ্টনের একটি অংশে বেড়ে ওঠেন। শৈশবেই আপনজনদের হারানোর বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা তাঁকে আগের চেয়ে আরও কঠোর ও বাস্তববাদী করে তোলে।
সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ জনপ্রিয় ডিসি কমিক চরিত্র লোবোর প্রথম লাইভ-অ্যাকশন উপস্থিতি। দুর্ধর্ষ এই মহাকাশ শিকারির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জেসন মোমোয়া। নির্মাতাদের দাবি, কমিকসের মূল চরিত্রের প্রতি বিশ্বস্ত থেকেই লোবোকে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে।
ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক দর্শকের মতে, এটি প্রচলিত সুপারহিরো চলচ্চিত্রের চেয়ে বেশি পরিণত, অন্ধকার এবং আবেগনির্ভর।
প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সমালোচকরাও এর ভিজ্যুয়াল স্টাইল ও নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ সিনেমাটির উপস্থাপনাকে ‘ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড’ এবং ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’-র সঙ্গে তুলনা করেছেন।