ভাঙ্গায় টর্স লাইট জালিয়ে পাঁচ গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ১

০১ জুলাই, ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে টর্স লাইট জালিয়ে ৫ গ্রামবাসীর মধ্যে সাড়ে ৩ ঘন্টাব্যাপী তুমুল সংঘর্ষে গুলিবৃদ্ধ এক যুবক নিহত ও  পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে।     

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। একসময় পুলিশের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে বেশ কয়েকজন পুলিশ আহত হয়।

এদিকে গুলিবিদ্ধ সুমন শেখ (২০)  নামের এক যুবকের মৃত্যুর খবরে রাত সাড়ে নয়টার সময় আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো বাসস্ট্যান্ড এলাকা।  

এ সময় সড়কের উপর আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে এলাকাবাসী। এতে তিন ঘন্টা ধরে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রারী।    

নিহত সুমনের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামে, তিনি মিলন শেখের পুত্র।   

 

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, ৪-৫ মাস আগে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের ইসমাইল মুন্সির ভাগনা এবাদুলকে ধরে নিয়ে মারধর করে হাসামদিয়া গ্রামের ফয়সাল সর্দারসহ কয়েকজন যুবক। এরপর বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়। 

কিন্তু মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে হাসামদিয়া গ্রামের ফয়সাল সর্দারসহ কয়েকজন যুবকের সঙ্গে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের এবাদলসহ অন্যান্যদের মধ্যে ফের কথাকাটাকাটি হয়।     

এ ঘটনা নিয়ে নিয়ে মহাসড়কের ওপর টর্স লাইট জালিয়ে শুরু হয় সংঘর্ষ। সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষে ২ পক্ষের মধ্যে যোগ দেয় পাঁচ গ্রামের মানুষ।  

এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মহাসড়কের ওপর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের কয়েকজন পুলিশ আহত হয়েছে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করেছি। এ ঘটনায় কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের এক যুবক নিহত হওয়ার সংবাদ পেয়েছি। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেন নাই। অভিযোগ পেলে আইনগত  ব্যবস্থা নেব।