মাঠে উত্তেজনা, নিরুত্তাপ স্কোরবোর্ড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের

০৫ জুলাই, ২০২৬

চলতি বিশ্বকাপে একরকম অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। আগের চার ম্যাচের সবকটিতেই প্রতিপক্ষকে চূর্ণ করে উড়ছিল ফরাসিদের ‘ভয়ঙ্কর’ আক্রমণভাগ।

তবে সেই উড়ন্ত ফ্রান্সকেই প্রথমার্ধ পর্যন্ত আঁটকে রাখল জার্মানিকে বিদায় করে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটানো প্যারাগুয়ে।

ফিলাডেলফিয়ার মাঠে ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিট ছিল স্রেফ ফরাসিদের একচ্ছত্র দাপট। ম্যাচের শুরু থেকেই বল মূলত প্যারাগুয়ের বক্সের আশপাশেই ঘুরপাক খেয়েছে। ম্যাচের ৮০ শতাংশ সময় বল নিজেদের পায়ে রেখেও অবশ্য কাজের কাজটি করতে পারেনি ফ্রান্স।

প্যারাগুয়ের ইস্পাতকঠিন রক্ষণভাগের ডিফেন্ডাররা চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে বোতলবন্দী করে রাখেন এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের। একের পর এক আক্রমণ প্যারাগুয়ের বক্সের ভেতর গিয়েই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

ফরাসিদের এমন একাধিপত্যের ম্যাচে ফুটবলের উত্তাপ ছাপিয়ে একপর্যায়ে ছড়ায় পেশীশক্তি আর স্নায়ুর উত্তেজনা। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে প্যারাগুয়ের বক্সের ঠিক কাছাকাছি জায়গায় কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ফাউল করা হলে নিজের হতাশা আর রাগ ধরে রাখতে পারেননি এই ফরাসি মহাতারকা।

ক্ষোভে ফেটে পড়ে প্যারাগুয়ের আন্দ্রেস কুবেসের বুকে আলতো ধাক্কা মেরে বসেন এমবাপ্পে। ব্যস, তাতেই বারুদে আগুন লেগে যায়! মুহূর্তের মধ্যে দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে হাতাহাতি ও তুমুল উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েন। তবে রেফারির সময়োচিত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়, কোনো খেলোয়াড়কেই কার্ডের মুখোমুখি হতে হয়নি।

চরম উত্তেজনা আর মাঠের দাপট সামলে শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে গোলহীন রেখেই স্বস্তির বিরতিতে গেছে প্যারাগুয়ে।