০৫ জুলাই, ২০২৬
কবি সুফিয়া কামালের ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক শাহেদ কামাল আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার সিকদার মেডিকেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
জানা যায়, শাহেদ কামাল বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়া নিয়ে শনিবার সকালে তাকে রাজধানীর শিকদার মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে নেয়া হয়।
এ দিকে আত্মীয় বন্ধুদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আজ ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের সাঁঝের মায়ায় তার মরদেহ রাখা হবে।
আগামীকাল রোববার (৫ জুলাই) বাদ জোহর, ধানমণ্ডির তাক্ওয়া মসজিদে তার জানাজা এবং আজিমপুর কবরস্থানে, মা সুফিয়া কামালের কবরেই শেষ শয্যায় শায়িত হবেন শাহেদ কামাল।
আগামীকাল রোববার মরহুম শাহেদ কামালের নামাজের জানাজা এবং দাফনের সময়সূচি:
সকাল ৯টা থেকে ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়ি ‘সাঁঝের মায়ায়’ শ্রদ্ধা প্রদর্শন। বেলা ১১টায় ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রথম নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।
বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় নামাজের জানাজা হবে। দুপুর আড়াইটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।
বিকেল ৪টার দিকে আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরে (প্রয়াত কবি সুফিয়া কামাল) দাফন করা হবে
কবি সুফিয়া কামালের বড় ছেলে, শাহেদ কামাল ১৯৫৭ সাল থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বিএসএস এ তিনি দীর্ঘদিন বার্তা সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত পালন করেছেন। পরবর্তীতে এমডি পদে তাকে দ্বায়িত্ব দিলেও, সে পদ তিনি গ্রহণ করেননি। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবেরও সদস্য ছিলেন।