০৮ জুলাই, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে মঙ্গলবার দুটি ট্যাংকার আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ বিস্ফোরণের ঝুঁকিতে ছিল।
কাতার তার বিশাল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ট্যাংকার ‘আল রেকায়াত’-এর ওপর হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে।
ট্যাংকারটি জানিয়েছে, রাতে একটি ড্রোন হামলায় এর ইঞ্জিন রুমে আগুন লেগে যায়।
নাবিকরা নিরাপদে আছেন এবং তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঘটনা সম্পর্কে অবহিত সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, জাহাজে লাগা আগুন জাহাজটিকে বিস্ফোরিত হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ওমানের উপকূলের কাছে সৌদি পতাকাবাহী একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার, যেটি সুপারট্যাংকার ওয়েদিয়ান বলে মনে করা হচ্ছে, সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট ছিল না।
রয়টার্সের পর্যালোচনা করা একটি রেকর্ডকৃত রেডিও কলে কাতারি ট্যাংকারটির ক্যাপ্টেন বলেছেন, “মে ডে মে ডে মে ডে। এটি আল রেকায়াত জাহাজ, এলএনজি জাহাজ আল রেকায়াত। আমাদের জাহাজের বাম পাশে, ইঞ্জিন রুমের উপরে ড্রোন হামলা হয়েছে। অবস্থা: ইঞ্জিন রুমে আগুন এবং ধোঁয়ায় পূর্ণ। আরো ক্ষয়ক্ষতি নির্ণয় করা সম্ভব নয়।”
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক নৌচলাচল ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তার ওপর একটি অগ্রহণযোগ্য হামলা এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।