১১ জুলাই, ২০২৬
ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলায় অন্তত ৬০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এই রোগে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৫৯ জন।
বুধবার (৮ জুলাই) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ইবোলায় নতুন করে ৫১ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ডিআর কঙ্গো যখন এই মহামারিতে বিপর্যস্ত তখন সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পূর্বাঞ্চলের রাজ্য ইটুরির বাসিন্দারা বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে তাদের চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন।
জাতীয় ও প্রাদেশিক সরকারের কাছে পাঠানো এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বেতন পরিশোধ না করা হলে হরতালের হুমকি দিয়েছেন প্রাথমিক স্তরের কর্মীরা। মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তাদের অনেকেই এরইমধ্যে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্যান্য প্রাথমিক স্তরের কর্মীরা বলেছেন, ১৫ মে ইবোলা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা কোনো বেতন বা বোনাস পাননি। আরও অভিযোগ রয়েছে, সীমিত সরঞ্জাম দিয়ে কাজ করলেও কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে অযৌক্তিক আচরণ করছে।
ইটুরির রাজধানী বুনিয়ার মহামারি পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্য ডা. বিয়েনসি কানো এপিকে বলেন, ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণের কথা যখন ঘোষণা করা হয়, তখন থেকেই আমরা আমাদের পাওনার জন্য দাবি জানিয়ে আসছি।
চলতি ইবোলা সংক্রমণের জন্য প্রধান দায়ী ভাইরাস বুনডিবুগিওর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরুর সময় থেকে দেশটির স্বাস্থ্য সেক্টর এমন সংকটের মুখে পড়েছে। ইবোলার বুনডিবুগিও স্ট্রেইনটি অন্যান্য স্ট্রেইনের চেয়ে তুলনামূলক কম প্রাণঘাতী হলেও এর জন্য এখন পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন অনুমোদন পায়নি।