৪৩৩৩ দিন পর এজবাস্টনে হারল ইংল্যান্ড, ভারতের শুভ সূচনা

১৫ জুলাই, ২০২৬

২০১৫ সাল থেকে এজবাস্টনে অপ্রতিরোধ্য ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু মঙ্গলবার তারা এই ভেন্যুতে আট ওয়ানডেতে প্রথম হার দেখল। শেষবার ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে এই মাঠে যাদের কাছে হেরেছিল ইংলিশরা, এবারও সেই ভারতের কাছে পরাজয় বরণ করল।

৪৩৩৩ দিন পর বার্মিংহামের এই মাঠে ৫০ ওভারের ম্যাচ হারল স্বাগতিকরা। ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা ষষ্ঠ জয় পেল ভারত, দলটির বিপক্ষে যা সর্বোচ্চ। প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারীরা ৬ উইকেটে জিতেছে।

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ড বেন ডাকেট ও জ্যাকব বেথেলের ওপেনিং জুটিতে ৬১ রান তোলে। তারপর ১৯ রানের ব্যবধানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে। ৮০ রানে ৫ উইকেট পড়েছিল তাদের।  

জো রুট ও লিয়াম ডওসন হাল ধরেন। তাদের ১২১ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। রুট ৭৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। তার ৭৬ বলের ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ১ ছয়। ডওসন ৬৮ রান করেন ৮৩ বলে সমানসংখ্যক চার ও ছয়ে। ইংল্যান্ড ৪৭.৫ ওভারে ২৫৮ রানে অলআউট হয়।

অক্ষর প্যাটেল ৯.৫ ওভারে ৬২ রান দিয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন।

ভারত লক্ষ্যে নেমে নিখুঁত পারফরম্যান্স করেছে। শুভমান গিল ইতিবাচক শুরু এনে দেন। রোহিত শর্মা স্যাম কারানের শিকার হন। পরের ওভারে বিরাট কোহলি জোফরা আর্চারের শিকার।

তারপর গিল ও শ্রেয়াস আইয়ার শক্ত জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। দুজনের ১০১ রানের জুটি থামে গিল ২৬তম ওভারে ৮০ রানের রিটায়ার্ড হার্ট হলে। তখন ভারতের প্রয়োজন ২৪.২ ওভারে ১১০ রান। হ্যারি ব্রুকের দুর্দান্ত থ্রোতে ২৭তম ওভারে আইয়ার রান আউট হন। পরের ওভারে লোকেশ রাহুল বোল্ড হন জশ টাংয়ের বলে। ইংলিশ পেসার তার প্রথম ওয়ানডে উইকেট পান। 

ইংল্যান্ড ম্যাচে ফেরার আভাস দেয়। তখন দরকার ৯৯ রান। দুই স্পিনিং অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর ও অক্ষর হাত মেলান। আস্কিং রেট নিয়ন্ত্রণে রেখে তারা দারুণ জয় এনে দেন। ৩৯ বলে ফিফটি করেন অক্ষর, ওয়াশিংটনও জয়সূচক ছয় মেরে ফিফটি করেন। ৪৫.২ ওভারে ৪ উইকেটে ২৬২ রান করে জিতে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করল ভারত।

পরের দুটি ম্যাচ ১৬ ও ১৯ জুলাই কার্ডিফ ও লন্ডনে। তিন মাচের সিরিজ ১-০ তে এগিয়ে থাকল মেন ইন ব্লুরা।