১৬ জুলাই, ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়ছেই। সাধারণত টানা বৃষ্টিতে বাতাসের মানের উন্নতি হয়। কিন্তু এবার কয়েক দিনের বর্ষণেও মেগাসিটি ঢাকার বায়ুমানে সেই উন্নতি মেলেনি। শহরের বায়ুর মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’পর্যায়ে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকার স্কোর ১৪১। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১১তম।
একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৮২ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। এ ছাড়া, ১৭৯ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক। ১৭৮ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেপলিস, চতুর্থ অবস্থানে থাকা কাতারের রাজধানী দোহার স্কোর ১৬৭, পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে কানাডার টরেন্টো, যার স্কোর ১৫৯।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের প্রধান উৎস হলো যানবাহন থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলাবালি, ইটভাটা এবং শিল্পকারখানার নির্গমন।
তাদের মতে, এসব উৎস থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ না নিলে বায়ুর মানে স্থায়ী উন্নতি আনা সম্ভব নয়।
আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।
এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।