রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে হাসপাতালে ৩ জন

১৯ জুলাই, ২০২৬

 

রাজধানীতে আলাদা ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন তিন ব্যক্তি। রবিবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীরা হলেন, একটি ওষুধ কোম্পানির কর্মী রাহাদ (৪০), হকার মঈনুদ্দীন (৬০) ও উত্তম কুমার সরকার (৪৫)।  

অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

বর্তমানে তারা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  

জানা গেছে, বিকেলে বাংলামোটর এলাকায় বিআরটিসি বাসের ভেতর অচেতন হয়ে পড়ে ছিলেন উত্তম কুমার সরকার। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা বাসযাত্রী ডা. জোবায়ের জানান, বাসে হকারের কাছ থেকে চকলেট খাওয়ার পর তিনি (উত্তম কুমার) অচেতন হয়ে পড়েন। এই সুযোগে তার টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেওয়া হয়।

উত্তম কুমার উত্তর শাহজাহানপুর শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জিতেন্দ্র নাথ সরকার।

এর আগে সিদ্ধিরগঞ্জের সাদ্দাম মার্কেট এলাকা থেকে রাহাদকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করেন।

দুপুরে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে খবর পেয়ে সহকর্মী এনামুল হক তাকে উদ্ধার করে দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

তিনি বলছিলেন, রাহাদ ওই এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে। তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন ও টাকা কিছুই পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে দুপুর ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় মঈনুদ্দীন (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। তার স্ত্রী মানসুরা বেগম জানান, মঈনুদ্দীন গুলিস্তান এলাকার ফুটপাতে হকারি করেন।

বাসা মাতুয়াইল নুরবাগ এলাকায়।

মানসুরা বলছিলেন, তিনি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে গুলিস্তান যাচ্ছিলেন। বাসে যাওয়ার সময় অচেতন হয়ে পড়েন। পরে লোকজন তাকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট এলাকায় নামিয়ে দেয়। খবর পেয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। তার কাছে কিছুই পাওয়া যায়নি। সবই খোয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।