২০ জুলাই, ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর পৃথক দুই এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে একটি হত্যা মামলার আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। সোমবার বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা গেছে, নগরীর আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া আসামি শাহপরান ফরহানকে (২২) নগরীর পোর্ট কানেক্টিং রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। ফরহান ময়মনসিংহ জেলার নিকলী থানার দামপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
গত ২৩ জুন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে পাহাড়তলী থানার আব্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইলেকট্রিক মিস্ত্রি মো. রিফাতকে কৌশলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় সাজ্জাদ আলম শুভ। পরে দক্ষিণ কাট্টলীর আব্দুল সূফী চৌধুরী গ্যারেজ সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা শামীম, মারুফসহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা রিফাতকে মারধরের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাম পায়ের হাঁটুর ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত রিফাতকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার পরদিন ২৪ জুন নিহতের ভাই বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে পাহাড়তলী থানার একটি অস্ত্র মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি জাহেদ হারুণী প্রকাশ ডাইল জাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। জাহেদ হারুণী নগরীর সরাইপাড়া এলাকার তোফাজ্জল আলীর ছেলে।
র্যাবের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, রিফাত হত্যা মামলার তদন্তে জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় শাহপরান প্রকাশ ফরহানকে শনিবার রাতে হালিশহর থানার পোর্ট কানেক্টিং রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও পাহাড়তলী থানার অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত জাহেদ হারুণীকে রবিবার ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন বারো আউলিয়া কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। উভয়কে পাহাড়তলী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।