২১ জুলাই, ২০২৬
কুষ্টিয়া শহরের একটি ছাত্রাবাসে চারদিন আটকে রেখে এক তরুণীকে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছিন্ন ওই ভুক্তভোগী এক সন্তানের জননী।
সোমবার স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ তাকে উদ্ধার এবং প্রধান অভিযুক্ত রাফিউজ্জামান রবিনকে (২৪) গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত রাফিউজ্জামান রবিন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কৌশলে ভুক্তভোগী ওই নারীকে কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই শুরু হয় নির্যাতন। গত চার দিন ধরে তাকে ওই ছাত্রাবাসে জিম্মি করে রাখেন রবিন এবং তার কয়েকজন সহযোগী।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দীর্ঘ চারদিন ধরে তাকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি ধর্ষণ করা হয়েছে। অপরাধীরা তার পরিচয় গোপন করতে ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলেছে। সোমবার সকালে কৌশলে মেস থেকে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে সাহায্য চাইলে স্থানীয়রা তার সহায়তায় এগিয়ে আসেন।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী নারীকে গাইনি ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক রঞ্জিত জানান, প্রধান অভিযুক্ত রবিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতব্বর জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের খুঁজে বের করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।